২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়

আসসালামুয়ালাইকুম প্রিয় বন্ধুরা ২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয় এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলটি আপনার জন্য আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা এ বিষয়টি সম্পর্কে জানেনা।আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মূল আলোচ্য বিষয় হলো ২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয় সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।

২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়

আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট না করে শুরু করা যাক আমাদের আলোচনা আমাদের আলোচনার মূল আলোচ্য বিষয় ২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয় এ সম্পর্কে বিস্তারিত ।আমার আজকের এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনি জানতে পারবেন ২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিস্তারিত তাই শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো।

সুচিপত্রঃ২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়

  • ২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়
  • ২০ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়
  • ১৯ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়
  • ২৭ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় বাচ্চার নড়াচড়া
  • গর্ভবতী অবস্থায় কি কি সমস্যা হতে পারে?

২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়

এই সময়ে আপনার বাচ্চার বৃদ্ধি একটি সাগর কলার সমান হবে।ওজন ৩৫০ গ্রাম হতে পারে।আর দৈর্ঘ্য ২৬.৭ সেমি এর মতো । এই সময়ে আপনার শিশুর জিভে তে ছোট্ট টেস্ট বা স্বাদ তৈরি হবে। এই স্বাদ এর কারণে সে এখন স্বাদ বুঝতে শুরু করবে। গর্ভে আপানের শিশু যে পানির মধ্যে আছে, সেই পানি সে অল্প অল্প করে গিলে নিতে পারে । এই পানিটা মিষ্টি নাকি তেঁতো স্বাদ সে এখন ধরতে পারবে।আপনি যে ধরনের খাবার খাবেন, সেসব খাবারের স্বাদ বাচ্চা বুঝতে শুরু করবে।

বড় হয়ে আপনার সন্তান কোন ধরনের খাবার পছন্দ করবে, তার ওপর করে নির্ভর করে আপনার এখনকার খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব পড়তে পারে। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। আপনার পেটে বাচ্চার চঞ্চলতা বেড়েই চলেবে । গর্ভের ভেতরে সে হয়তো লাথি দিচ্ছে এবং দিন দিন তার লাথিগুলো আরও মজবুত হবে। যদি ছেলে সন্তান হয় তাহলে লাথি গুলোর মাত্রা বেশি হবে তবে মেয়ে হলে কিছু টা কম হবে।

২০ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়

গর্ভধারণের ২০তম সপ্তাহ থেকেই দিন-রাতের পরিবর্তন লক্ষ করা যাই। এই সময়ে গর্ভের সন্তান কে সাধারণত বিকেলে ও সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি নড়াচড়া করতে দেখা যায়। আবার গর্ভের শিশু যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন শিশুর নড়াচড়া টের পাওয়া যায় না সাধারণত দুপুর বেলাই সন্তান ঘুমিয়ে থাকে ।তাই দুপুর বেলার সময়টুকুকে ‘স্লিপ সাইকেল’ বা ঘুম-চক্র বলা হয়।এই সময়ে আপনার বাচ্চার বৃদ্ধি একটি কলার সমান হবে।

ওজন ৩০০ গ্রাম হতে পারে।আর দৈর্ঘ্য ২৫.৭সেমি এর মতো ।গর্ভাবস্থায় নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা প্রয়োজন। ব্যায়াম করলে, বিশেষ করে পায়ের ও গোড়ালির ব্যায়াম করলে পায়ের রক্ত চলাচলে উন্নতি হবে। এভাবে পা অবস হয়ার সমস্যা ঠেকানো যেতে পারে। এজন্য খুব সহজ কিছু পায়ের ব্যায়াম করতে পারেন যেমন বিকেল এর সময় একটু হাঁটতে পারেন এতে আপনার পায়ের রস নামা বন্ধ হবে।অনেকে পায়ের রস নামা কে পা ফুলা বলে।

১৯ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়

এই সময়ে আপনার বাচ্চার বৃদ্ধি শুরু হবে।ওজন ২৪০ থেকে ২৫০ গ্রাম হতে পারে।আর দৈর্ঘ্য ১৫.২সেমি এর মতো হতে পারে।যেহেতু এই সময়ে শিশুর বেড়ে উঠা শুরু হয় তাই ভাল পুষ্টিকর খাবার এবং রসালো খাবার খাইতে হবে।মনে রাকবেন আপানার অপর নির্ভর করবে আপানর সন্তানের বেড়ে উথা।তাই এই দিকে সতর্ক থাকবেন।এই সময় বাচ্চার হাত পা এই গুলা বাড়তে থাকে তাই এই সময় লাথি বা নড়াচড়া করা বুঝা যাই না। এই সময় শিশুর বেড়ে উঠা শুরু।

এই সময় খুব সতর্ক থাকতে হয়।আর এই সময় ই শিশুর দুদ দাত এর গঠন শুরু হই। এটা অবাক হওয়ার কথা হলেও সত্য। ১৯ সপ্তাহে কে দ্বিতীয়  ট্রাইমেস্টার বলা হয়। মায়ের পেটের আকার এই সময় থেকে বাড়তে থাকে।তাই এই সময় মা দের কাজ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।বেশিক্ষণ দারিয়ে থাকলে বা পা ঝুলিয়ে কোন যাইগাই বসে থাকলে পায়ে রস নামতে দেখা যাই।

২৭ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় বাচ্চার নড়াচড়া

২৭ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় বাচ্চার ফুসফুস পরিপক্ব না থাকলে কাজ করতে শুরু করে।যদি কোন শিশু এই সময় জন্ম নেই তাহলে তার বেছে থাকার সম্ভাবনা ৯০%।এই সময়ে আপনার বাচ্চার বৃদ্ধি হবে।ওজন ৮৫০থেকে ৯০০গ্রাম হতে পারে।আর দৈর্ঘ্য ৩৬.২সেমি এর মতো হতে পারে।এই সময় শিশু ১ম বারের মতো চোখ খুলতে পারে।এই সময় নড়াচড়া তুলনামুলক বেশি হবে।

এই সময় শিসু টি আগের তুলনাই অনেক টা বিকাশ ঘটবে ।স্বাদ বুজবে আগের থেকে বেশি।তাই এই সময় শিশুর মস্তিস্ক কাজ করতে পারে ভাল।তবে এই সময় জন্ম নিলে শিশু সাধারন ভাবে বেড়ে উটতে সময় লাগবে।তার পুষ্টির অভাব কম হবে।তাই তার বেড়ে উঠার শক্তি টা সঠিক ভাবে পাবে না।

গর্ভবতী অবস্থায় কি কি সমস্যা হতে পারে?

গর্ভাবস্থায় মেয়েদের শরীরের হাড়ের সংযোগস্থল ঢিলা হয়ে যায়।পেট ভারি বা পেট সামনের অংশ বেড়ে যাওয়ার কারণে পিঠের হাড়ে চাপ তৈরি হয়। এই সময় বমি বমি ভাব দেখা দিবে অনেক সময় বমি হবে।তাই তেল চর্বি খাবার গুলা বাদ দিতে হবে।খাবার এর প্রতি অনিহা থাকলে মুড়ি টেস্ট বিস্কুট খেতে পারেন সাথে আঁচার খেতে পারেন এই গুলা আপনার মুখ এর স্বাদ বাড়াতে পারে।

গর্ভবতী মেয়েদের অনেক সময় রক্তে সুগার এর পরিমাণ বেড়ে যায় যাকে বলে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। অনেক সময় রক্ত সল্পতা দেখা জাই।তখন রক্তর অভাবে আপনার সন্তান জটিল রগে ভুগতে পারে।রক্তে সুগার ধরা পরলে আপনার সিশুর অ জন্মোর পর ডায়াবেটিক এর মতো ভয়াবহ রোগ দেখা দিতে পারে।তাই গর্ভ অবস্থাতে বেশি করে হাটার অভ্যাস করতে হবে।এক যাইগাই বসে না থাকার চেষ্টা করতে হবে। রক্ত সল্পতা দেখা দিলে এক মাস পর পর রক্ত নিতে হবে।

আজকের আর্টিকেল থেকে আমরা গর্ভবতী অবস্থায় নানা ধরনের সমস্যা এবং কি করলে এর সমধান হবে সে গুলো বুজতে পারবেন।আসা করছি আজকের পোস্ট টি আপনাদের উপকারে আসবে।

Leave a Comment