মাথার পিছনে ব্যথার কারণ – মাথার পিছনে ডান পাশে ব্যথা হওয়ার কারণ

যে কোনো মাথাব্যাথা একটি যন্ত্রণাদায়ক বিষয় । বিভিন্ন ধরনের মাথার ডান পাশে ব্যাথা হতে পারে । মাথাব্যথা থেকে মুক্তি এবং চিকিৎসা করতে হলে জানতে হবে মাথার ডানপাশে ব্যথার কারণ। প্রথমেই বলে রাখি আমি কোনো ডাক্তার নই।আপনার কথা অনুযায়ী আপনার এই লক্ষণ বিবেচনা করে মাথার পিছনে ডান পাশে ব্যাথার কারন সমূহ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করবো । আমার লেখা টা সম্পন্ন পড়লে আপনি আপার মাথা ব্যাথার কারন ও প্রতিকারের বিস্তারিত জানতে ও বুঝতে পাড়বেন। 

মাথার পিছনে ব্যথার কারণ

সূচিপত্র : মাথার পিছনে ডান পাশে ব্যথার কারণ

  • নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়া 
  • অতিরিক্ত টেনশন করা / মানসিক চাপ
  • মাথাতে ব্রেন টিউমার
  • চোখের পাওয়ার বাড়লে 
  • বিরতিহীন কাজ
  • পারিপার্শ্বিক কোলাহল/শব্দ দূষন 

নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়া

আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য উপাদান হলো ঘুম। ঘুমের মধ্যে আমাদের শরীরের ক্লান্তি দুর হয়। আমরা দিনের থেকে রাতে অধিক সময় ঘুম পেরে থাকি । দিন, রাএি ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৬,৭ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন কিন্তু আমাদের অতিরিক্ত ব্যস্ততার নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুম হয় না। নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুম না হওয়ার কারণে আমরা ক্লান্তি অনুভব করি যার ফলস্বরূপ আমাদের মাথার যন্ত্রণায় হয়।

তাই যেকোনো রকম মাথা ব্যাথা নিরসনে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অপরিস। আমরা সাধারণ সারাদিন কর্মে ব্যস্ত থাকি এবং রাত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুম পারি। কিন্তু বর্তমান সময়ে উল্ট নিয়মে আমরা জীবন যাপন করি সারারাত আমরা ভিন্ন রকমের কাজে লিপ্ত থাকি এবং দিনের বেলা অল্প পরিমাণ ঘুম পারি যার ফলে বর্তমান সময়ের মাথা ব্যাথার প্রবনতা অনেক বেশি। 

অতিরিক্ত টেনশন করা / মানসিক চাপ

মাথা ব্যাথার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো অতিরিক্ত টেনশন করা এবং মানসিক চাপ। টেনশন এবং মানসিক চাপ শুধু মাথা ব্যথা নয় মানবদেহে এর অর্ধেক রোগের কারণ। টেনশন হওয়া স্বাভাবিক কিন্তু কোন বিষয়ে অতিরিক্ত টেনশন করা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত টেনশন মাথার ব্রেনের উপর প্রভাব পড়ে যার যার ফলে আমাদের ডান ও বাম পাশে তীব্র মাথা যন্ত্রণা হয়। 

অতিরিক্ত টেনশনের পাশাপাশি মানসিক চাপ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত টেনশনে ফলে মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। আমরা চেষ্টা করবো যেনো কোনো কারনে অতিরক্তি টেনশন যেনো না হয় এবং মানুসিক চাপ সৃষ্টি হয় এমন কোনো কাজ খবর ইত্যাদি থেকে বিরতো থাকবো। যতো টেনশন কম করবো মানুসিক চাপ কম নিবো আমারা ততো সুস্থ থাকবো। 

মাথাতে ব্রেন টিউমার 

মাথাব্যথার আরেকটি মারাত্মক কারন হলো ব্রেন টিউমার। মাথায় টিউমার হওয়ার লক্ষন গুলো হলো মাথায় টিউমার হলে প্রাথমিকভাবে তা সঠিক ভাবে বুঝা যায় না। তবে টিউমার আকারে বড় হলে টিউমারের অবস্থান অনুযায়ী মাথায় চার দিকে প্রচন্ড ব্যাথা হয়, কথা বলতে সমস্যা বা তোতলানোর মতো সম্যামসা হয়ে থাকে, চোখের দৃষ্টি শক্তি কমে যায় ইত্যাদি লক্ষন দেখা দিতে পারে বিশেষ করে ডান পাশে বেশি অনুভব হয় ব্যাথা।
মানব দেহে ব্রেন টিউমার একটি মারাত্মক ঘটনা খুবি আল্প সংখ্যক মানুষের ব্রেন টিউমার হয়ে থাকে। উপরুক্ত স্যামসা বা লক্ষণ মানব দেহে দেখা দিলে আমরা আবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবো। বেন টিউমার নিয়ে ভয় এর কিছু নেই আধুনিক বিশ্বের বেন টিউমারে অনেক সহজ সমাধান রয়েছে। বর্তমানে কোন জটিল অপারেশন ছাড়া শুধু মেডিসিন গ্রহণ করে ব্রেন টিউমার প্রতিরোধ করা যায়।

চোখের পাওয়ার বাড়লে

মাথা ব্যথার আরেকটা অন্যতম কারণ হলো চোখের পাওয়ার বাড়া। মাথাে সাথে চোখের একটি নিবির সম্পর্ক রয়েছে। চোখ লাল হওয়া ও ব্যাথা চোখের নিচে মাথার দিকে ব্যাথা। আলো ও শব্দের প্রতি সংবেদনশিলতা হওয়া ইত্যাদি লক্ষণসমূহ লক্ষ্য করা যেতে পারে।
সবসময় ঘুমাতে ইচ্ছে করে। প্রথমেই বলে রাখি আমি কোনো ডাক্তার নই।আপনার কথা অনুযায়ী আপনার এই লক্ষণটা কিন্তু ভালো বলে মনে হচ্ছে না।এটা একটা বড় ধরনের রোগের ইঙ্গিত কিন্তু

বিরতিহীন কাজ

আমরা মানুষ নানরকম কাজের মাধ্যমে আমাদের জীবন পরিচালনা করতে হয়। বিরতিহীন কাজ বলতে কোনো বিরতি না দিয়ে দীঘ সময় ধরে কোনো কাজ সম্পন্ন করাকে বোঝানো হচ্ছে। বিরতিহীন কাজের প্রভাবে মস্তিষ্ক আনেক চাপ পড়ে এবং শরীরে ক্লান্তি আনুভাব হয় যা মাথাব্যথার আন্যতম একটা কারন হিসেব ধরা হয়
আমাদের বেঁচে থাকা উপার্জন করার আন্যতম বা একমাত্র মাধ্যম বলা যায় কাজ কে কিন্তু অতিরিক্ত কাজ মানব শরীর জন্য হুমকি স্বরুপ। প্রতিদিন যে পরিমান কাজের প্রযোজন আমাদের এতোটুকু করা প্রযোজন। অতিরিক্ত কাজের চাপ আমাদের মাথাব্যথার কারন হতে পারে। আতএব আমরা কাজ করবো কিন্তু একটানা আনেক সময় ধরে না মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে। একটানা কাজের ফলে সরাসরি মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর।

পারিপার্শ্বিক কোলাহল/শব্দ দূষন 

মাথা ব্যাথার আন্যতম কারন বলা যায় কোলাহল বা শব্দ দূষণ কে। আমাদের বাংলাদেশে শব্দ দূষণের ফলে শতকরা ৫০ভাগ মানুষের মাথা ব্যাথা হয়ে থাকে। শব্দ দূষণ এর উৎস গুলো হলো : যানবাহনে ব্যবহৃক উচ্চ পাওয়ারের হরেন,মাইক, সাউন্ড বক্স, উচ্চ স্বরে কথা বলা, বাজারের মধ্যকার উচ্চ আওয়াজ ইত্যাদি হলো শব্দ দূষণ এর মৃল উৎস যা আমারা পুরোপুরি প্রতিকার করতে পাড়বো না কিন্তু এ গুলো এরিয়ে চলতে পাড়বো।

আরো পড়ুনঃ  অতি পুষ্টি লক্ষণ কি

শব্দ দূষণ এর ফলে যে শব্দ সৃষ্টি হয় তা আমাদের সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কে প্রভাব পড়ে যার ফলে আমাদের প্রচন্ড মাথার যন্তনা হয়। আমাদের এই বিষয় গুলো এরিয়ে চলা দরকার।

Leave a Comment