হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায়

আমাদের যৌবন কালে সব থেকে মারাক্তক ও প্রবহমান ঘটনা হলো হস্তমৈথুন। হস্ত মৈথুনের ফলে আমাদের শরীলে মারাক্ত সাররক্ষতির হয় যা আমরা হয়তো সাধারন ভাবে বুঝতে পারি না। আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায় সম্পর্কে ।

হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায়

বর্তমানে হস্ত মৈথুন একটা সামাজিক ব্যাধি । হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায় কি সেই সম্পর্কে অনেকে জানেন না । তাহলে চলুন বিস্তারিত জানা যাক হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সমুহ ।

সৃচিপএ: হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার উপায়।

  • যে সব কাজের জন্য হস্ত মৈথুনের হয়, 
  • হস্ত মৈথুনের ফলে শারীরিক প্রভাব,
  • হস্ত মৈথুনের ফলে মানসিক ও সামাজিক প্রভাব, 
  • হস্ত মৈথুনের করার ফলে শুক্রানু ক্ষতিগ্রস্থ হয় 
  • হস্ত মৈথুনের ফলে ধর্মীয় বিধিনিষেধ 
  • শেষ কথা, হস্ত মৈথুন খেকে বাঁচার উপায়

যে সব কাজের জন্য হস্ত মৈথুনের হয়:

এই পোস্ট থেকে আপনারা জানতে পাড়বেন যে সব কাজের জন্য হস্ত মৈথুনের হয়,তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যায় বিস্তারিত ।

 সাধারণ যৌবন বয়সে হস্ত মৈথুন প্রবনতা টা বেশি হয়ে থাকে। সাধারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা আন্য কোনো সাইডে বিচরনের সময় বিভিন্ন এডাল/ সেক্সোয়াল ছবি, ভিডিও, লিংক ইত্যাদি আমাদের নজরে পড়লে আমরা সে গুলো দেখে থাকি যার ফলে আমাদের শারীরিক উওজনা টা বেড়ে যায় এবং এক পর্যায়ে গিয়ে আমরা হস্ত মৈথুনে লিপ্তহয়ে পরি। 

আমরা মানুষ আমাদের আবেগ, বুদ্ধি, চাহিদা, যৌন চাহিদা ইত্যাদি দিয়ে মানব শরীর গঠিত। আনেক সময় আবেগ কে খারাপ ভাবে ব্যাবহার ফলে হস্ত মৈথুন হয়ে থাকে । বিভিন্ন সময় কোনো নেগেটিভ দৃশ্য দেখলে যৌন চাহিদা বৃদ্ধি পাই এই যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য হস্ত মৈথুন করে থাকি ।

হস্ত মৈথুনের ফলে শারীরিক প্রভাব

হস্ত মৈথুনের ফলে শারীরিক সবচেয়ে বড় যে ক্ষতি হয় তা হলো আমাদের শররের সবচেয়ে দামি যে পদার্ধ শুক্রানু তা বেড়িয়ে যায়। রক্ত থেকে মাংস, সাংশ থেকে মেত, মেত থেকে হার, হার থোকে মজ্জা এবং এই মজ্জা থেকে শুক্রানু তৈরি হয় যা আতি মুল্যবান সম্পদ আমাদের মানব দেহে । যা হস্ত মৈথুন করার ফলে আমারদের শরীর থোকে প্রতিনিয়ত বেড়িয়ে যাচ্ছে । শুক্রানু মধ্যে যে পদার্থ থাকে তা আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীর কে সুস্থ ও সতেজ রাখে, মস্তিষ্ক কে সচল রাখে, আমরা যদি অপ্রযোজনে এইশুক্রানু হস্ত মৈথুনের মাধ্যম বের করে দি তাহলে আমাদের শারিরীক আনেক স্যামসা ও বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রমণ করতে পারো ।

হস্ত মৈথুনের ফলে মানসিক ও সামাজিক প্রভাব

প্রতিনিয়ত মৈথুনের ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায় যার ফলে কাজের প্রতি মনোযোগ থাকে না । নতুন কোনো কর্মের প্রতি অনিহা হয়,শারিরীক দুর্বলতার জন্য সমাজে নিজেকে সুন্দর ভাবে প্রতিষ্ঠাতা করতে করতে পারে না । মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে যার ফলস্বরূপ পারিবারিক কোলাহল এর সৃষ্টি হয়, এই নিম্ন লিখিত কাজ গুলো আমাদের মানুসিক ভাবে আনেক টা দুর্বল করে দেই ।

হস্ত মৈথুনের করার ফলে শুক্রানু ক্ষতিগ্রস্থ হয়

উপরে শুক্রানু সম্পর্কে সাধারন ধারনা দিয়েছি এখন বিস্তারিত আলোচনা করবো ।

শুক্রানো হলো সেই পদার্থ যার এক ফোটাতে হাজার হাজার প্রাণ সুপ্ত আবস্থায় থাকে। ২০গ্রাম শুক্রানু তৈরি করতে আমাদের শরিরের প্রায় ৩০ দিন সময় লাগে। কিন্তু হস্ত মৈথুনের ফলে মাএ কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটে কয়েক গ্রাম শুক্রানু ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাচ্ছে যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরুপ। 

হস্ত মৈথুনের ফলে ধর্মীয় বিধিনিষেধ 

প্রতিটি ধর্ম এই মারাত্মক ব্যাধি বিষয় বিধিনিষেধ রেয়েছে, হস্ত মৈথুনে করার ফলে শরীর না পাক হয়ে যায় যার পলে ধর্মিয় কোনো কাজ করতে গেলে নিজের মনের কাছে বাধা প্রাপ্ত হয়ে ফেরত আসে, হস্ত মৈথুনে করার কারনে মনের মধ্যে নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বেশি আসে যার ফলে সৃষ্টি কর্তার কাছে থেকে সে বাক্তির দুরুত্ব বেড়ে যায়, 

ইসলাম ধর্মে হস্ত মৈথুনের বিষয়ে করা নিদর্শনে দেওয়া হয়েছে বর্তমানে বিঙ্গান বিভিন্ন গবেষণা দেখা গিয়েছে ইসলামের দেওয়া নিদর্শন আনেক কার্যকারি পদক্ষেপ। তার মধ্যে কয়েক দি বিষয় উল্লেখ করা হলো 

  • ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা যার ফলে মন ও শরীর দুইটো পবিত্র থাকবে। 
  • যতোদূর সম্ভব ইন্টারনেট কম ব্যাবহার করা। 
  • শিক্ষা এবং ধর্মিয় বই আনুধ্যান করা। 
  • যতোদুরুত্ব সম্ভব বিবাহ করা। 
  • চোখের দৃষ্টি হেফাজত করা। 

ইত্যাদি বিষয় গুলো আমরা মেনে চলে আমাদের যুবসমাজের এই মারাত্মক আভাস বা ব্যাধি টা আনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।। 

শেষ কথাঃ হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায়

আমরা হস্ত মৈথুন কি কোন পরিস্থিতে হস্ত মৈথুন করি এবং হস্ত মৈথুনের ফলে আমাদের শারিরীক, মানুসিক, ও সামাজিক কি কি স্যামসা হয় তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এখন আমরা জানবো কি ভাবে এই মারাত্মক আভাস থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং এই আভ্যাস পরিত্যক্ত করা যায়। 

হস্ত মৈথুন থেকে বাঁচাতে আমাদের সেক্সওয়ার সাউড বিচরন ও সেক্সওয়ার ছবি, ভিডিও, ইত্যাদি দেখা বন্ধ করতে হবে। বাস্তব জিবনে এমন কোনো দৃশ্য এরিয়ে চলতে হবে। সবসময় নিজেকে কোনো না কোনো কাজের মধ্যে ব্যাস্থ রাখতে হবে। একাকি একটা রুমে বা সবার নজরের আরালে থাকা যাবে না। বেশি রাত জাগা যাবে না । প্রতিদিন প্রযজন মতো খাওয়া দাওয়া করতে হবে । যে সব কাজ বা যে সব জায়গায় গেলে এমন কোনো পরিস্থিতি পরে হস্ত মৈথুন করতে হয় তা থেকে বিরতো থাকতে হবে।

Leave a Comment