কার্ফ জাতীয় মাছের খাদ্য তালিকা

যারা বাড়িতে মাছ চাষ করেন একুরিয়ামের মধ্যে তারাই জানেন যে তাদের পোষা প্রাণীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের মাছের খাবার পাওয়া যায়। যদিও বাজারে কিছু খাবার নির্দিষ্ট ধরণের মাছের চাহিদা মেটানোর জন্য বিক্রি করা হয়, অন্যরা, যেমন কার্ফ, বিভিন্ন ধরণের মাছের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এই খানে আমরা কার্ফ মাছের খাদ্য তালিকা আলোচনা করব এবং কিভাবে মাছ চাষ করা হয় তা সম্পর্কে জেনে নেব। বাজারে খাবার গুল আপনার মাছকে কী দিতে পারে তা দেখব। কার্ফ একটি জনপ্রিয় মাছের খাবার যা বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। কার্ফ মাছের খাদ্য তালিকায় বিস্তৃত আইটেম রয়েছে যা আপনার মাছকে তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে ব্যবহার করবে। কার্ফ বিভিন্ন ধরণের খাবারও সরবরাহ করে যা আপনার মাছের পুষ্টির সঠিক মিশ্রণ পেতে ব্যবহার করবে।

কার্ফ জাতীয় মাছের খাদ্য তালিকা
কার্ফ হল এক ধরনের মাছের খাবার যাতে প্রোটিন বেশি এবং চর্বি কম থাকে । 2. কার্ফ ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভাল উৎস, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য অনেক ডাক্তাররা রুগিদের এ ধরনের মাছ খাওয়া পরামর্শ দেন । 3. কার্ফ ভিটামিন A এবং D এর একটি ভাল গুণ বা উৎস। 4. কার্ফ আর ও ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের একটি ভাল গুণ বা উৎস । 5. কার্ফ ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়ামের একটি ভাল উৎস, 6. কার্ফ আয়রন এবং জিঙ্কের একটি ভাল উৎস,7. কার্ফ সেলেনিয়াম এবং তামার একটি ভাল উৎস। তাই এইসব মাছ খেলে আমাদের শরীরের এসব ভিটামিন যুক্ত হয় তাই ডাক্তাররা বেশি বেশি এসব মাছ খেতে বলেন রোগীদেরকে।

সূচি পত্র:কার্ফ জাতীয় মাছের খাদ্য তালিকা 

  • কার্ফ জাতীয় মাছের খাদ্য তালিক
  •  মিশ্র মাছ চাষের খাদ্য তালিকা 
  • মাছের খাদ্য তৈরির ফর্মুলা 
  •  মিশ্র মাছ চাষের সুবিধা 
  •  রুই মাছের খাদ্য তালিকা 

কার্ফ জাতীয় মাছের খাদ্য তালিকা

প্রোটিন বেশি এবং চর্বি কম থাকে । 2. কার্ফ ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভাল উৎস, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য 3. কার্ফ ভিটামিন A এবং D এর একটি ভাল গুণ বা উৎস। 4. কার্ফ আর ও ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের একটি ভাল গুণ বা উৎস । 5. কার্ফ ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়ামের একটি ভাল উৎস, 6. কার্ফ আয়রন এবং জিঙ্কের একটি ভাল উৎস, 7. কার্ফ সেলেনিয়াম এবং তামা

মিশ্র মাছ চাষের খাদ্য তালিকা

মিশ্র মাছ চাষ পালনে অনেক অর্থ কম প্রয়োজন হয়। মিশ্র মাছ চাষের অনেক সুবিধা রয়েছে। এক্ষেত্রে এক পুকুরে অনেকধরনের মাছ চাষ করা যায়। এক্ষেত্রে সব মাছের জন্য একই খাবার প্রযোজ্য হয়।মিশ্র মাছ চাষ করতে হলে প্রথমে মাছের পোনা সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা বাধ্যতামূলক। এক্ষেত্রে মাছের জন্য ব্রয়লার মুরগির বিষ্ঠা প্রয়োগ বাধ্যতামূলক। এত করে চাষীর অর্থ ক্ষতি হবে না এবং মাছের গুনাগুন উন্নত এবং সঠিক থাকবে। ফলে চাষী বেশি মুনাফা অর্জন করবে।

মাছের খাদ্য তৈরির ফর্মুলা

মাছের খাদ্য বিভিন্নভাবে তৈরি করা যায়। মাছের খাদ্য সাধারণত বাজারে যেগুলো পাওয়া যায় সেই গুলা আমরা বাসায় তৈরি করতে পারি। এখন আমরা জানবো মাছের খাদ্য তৈরি করতে যেসকল ফর্মুলা অর্থাৎ উপাদান লাগে সে সকল সম্পর্কে। মাছের খাদ্য তৈরি করতে প্রথমেই সরিষার খোল সাথে বিভিন্ন মাছের গুড়া অর্থাৎ বিভিন্ন মাছের শুটকির গুড়া।চালের গুড়া আর খনিজ লবণ।
এখানে চাল অথবা গম যেকোন গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।বাইন্ডার হিসেবে আটা / চিটাগুড় ব্যবহার করতে পারেন। পরিমানমত উপকরণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে বল আকারের খাদ্য তৈরি করে পুকুরে প্রয়োগ করতে পারেন। এছাড়া বাড়িতে গুণগতমানসম্পন্ন ভাবে খাদ্য তৈরি র ফলে আপনার মাছ গুলা সঠিক ভাবে বারবে।

মিশ্র মাছ চাষের সুবিধা

যেসব প্রজাতির মাছ রাক্ষুসে স্বভাবের নয়, খাদ্য নিয়ে প্রতিযোগিতা করে না, পুকুরএর বিভিন্ন স্তরে বাস করে এবং বিভিন্ন স্তরের খাবার গ্রহণ করে— এসব গুণের কয়েক প্রজাতির মাছ একই পুকুরে একত্রে চাষ করাকেই মিশ্র চাষ বলে । মিশ্র চাষ করার জন্য কার্প বা রুই জাতীয় মাছ বেশি উপযোগী, যেমন সিলভার কার্প মিনার কার্প, রুই, কাতলা, কার্পিও ইত্যাদি ।
আমাদের দেশে কার্প জাতীয় মাছের মধ্যে রুই, কাতলা অন্যতম । এরা পুকুরে মিশ্র চাষের জন্য খুবই উপযোগী এবং নির্ভর যজ্ঞ মাছ।এরা নিজেদের ভিতর লড়াই করে না ফলে মাছ আহত হয় না।ফলে চাষির লস হওয়ার সম্ভবতা কম থাকে । এ মাছগুলো পুকুরের বিভিন্ন স্তরে থাকে ও খাবার খায় বলে পুকুরের সকল জায়গা ও খাবারের গুণ ঠিক থাকে।
মাছ সব সময় চলাচল করায় কোনো স্তরের খাবার জমা হয়ে নষ্ট হয় না । এতে করে পুকুরের পরিবেশ ভালো থাকে । মিশ্র চাষে মাছের রোগবালাই কম হয় কারণ এতে করে কেউ কাও কে আক্রমণ করে না। মিশ্র চাষে সবচেয়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ।

রুই মাছের খাদ্য তালিকা

বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ও সুস্বাদু একটি মাছ হলো রুই মাছ। রুই মাছ দেশের সকল নদী-নালা, খাল-বিল, হাওড়-বাওড় ও পুকুর কম বেশি সব জাইগায় পাওয়া যাই । পুকুর ও খাল-বিলে এই রুই মাছ চাষ করা হয়। এই মাছ খেতে সুস্বাদু তাই বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়।রুই মাছ বাচে ১০ বছর।
রুই মাছ লম্বা হয়২০০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ও ৪৫ কেজি পর্যন্ত ওজন হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। এক বছর বয়সে ১-২ কেজি ওজন হয়ে থাকে। 
আরো পড়ুনঃ Gaston কিসের ঔষধ
রুই মাছ সাধারণত পুকুরে চাষাবাদ করা হয়। এরা সাধারণত পানির মধ্যস্তরে চলাচল করে৷ এদের মুখ কিছুটা নিচের দিকে নামানো থাকে এতে করে খাদ্যদ্রব্য খেতে সহজ হয় এবং মোটা ঠোঁট থাকার কারণে জলজ উদ্ভিদ, আগাছা এবং মাঝে মাঝে পানির তলদেশ থেকে পঁচা জৈব জিনিস খেয়ে জীবনধারণ করে৷ এছাড়াও মাছের খাদ্য, খৈলের গুঁড়া, চালের কুঁড়া ইত্যাদি পুকুরে মাছ চাষের সময় সম্পূরক খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করে চাষি রা।

Leave a Comment