বেটামেসন ক্রিম এর অপকারিতা

সম্মানিত প্রিয় পাঠক বৃন্দ আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনাদের মধ্যে আনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন প্রয়জনে বেটামেসন ক্রিম টি ব্যাবহার করে থাকেন। কিন্তু আমরা আনেকের জানা নাই যে বেটামেসন ক্রিম আমাদের কতোটা উপকার আর কতোটা অপকারি। আসলে বেটমেসন ক্রিম উপকারের চাইতে অপকারিতা বেশি হয়ে থাকে।

বেটামেসন ক্রিম এর অপকারিতা


প্রিয় পাঠক আপনাদের বেটামেসন ক্রিম ব্যাবহারে সচেতন থাকতে হবে যাতে আপনার শরীর কোনো প্রকার ক্ষতি যেনো না হয়। আজকে আমরা আমাদের আর্টিকেল মাধ্যমে বেটামেসন ক্রিম এর অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাহলে চলুন আপনাদের মূলবান সময় নষ্ট না করে আজকের আর্টিকেল টি শুরু করা যাক। 

সূচিপত্র : বেটামেসন ক্রিম এর অপকারিতা

  • বেটামেসন ক্রিম কি ও কি কাজে লাগে
  • বেটামেসন ক্রিম উপাদান
  • বেটামেসন ক্রিম এর ব্যাবহার
  • বেটামেসন ক্রিম এর অপকারিতা
  • শেষ কথা- বেটামেসন ক্রিম এর শারীরিক ক্ষতি

বেটামেসন ক্রিম কি ও কি কাজে লাগে :

এখন আমাদের শরীরে ব্যবহারের জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর ক্রিম বাজারে পাওয়া যায় তার মধ্য বেটামেসন ক্রিম আন্যতম। আগের দিনে ক্রিম মানে আমরা শুধু বুঝতাম সেটা হচ্ছে বিউটি প্রোডাক্ট এবং এই ক্রিম মাখলে নাকি মানুষ ফর্সা হওয়া যায়। তবে দিন যাচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান তত বেশি উন্নত হচ্ছে এবং তার ফল স্বরুপ আজকে আমরা আমাদের শরীরের উপরের অংশে অর্থাৎ ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধানের জন্য অত্যন্ত উন্নত মানের ক্রিম ব্যবহার করার সুযোগ পায়। আজকে তেমনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বেটামেসন ক্রিম নিয়ে কথা বলব। 

এই ওষধ টি স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালসি লিঃ বর্তমানে বাজারজাত করণ করছে। আমাদের সবারি জানা আছে যে দেশ ব্যাপি স্কয়ার ফার্মা একটি আনেক বড় ওষধ কম্পানি। এই বেটামেসন ক্রিম দুইটি উপাদান রয়েছে সে গুলো হলো গ্রাম পজিটিভ ও গ্রাম নেগেটিভ অনুজীবের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমিত সমস্যার সমাধান করে থাকে এই বেটামেসন ক্রিম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সাধারণ রোগীর শরীরের যেকোনো জায়গায় যদি পুড়ে যায় অথবা ত্বকের ওপরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষত তৈরি হলে অথবা শরীরে যে কোন স্থানে বিভিন্ন ধরনের ক্ষত তৈরি হলে সেই ক্ষতের সংক্রম ব্যবহার করা হয় থাকে এই বেটামেসন ক্রিম।

বেটামেসন ক্রিম উপাদান : 

বেটামিথাসন ডাইপ্রপিওনেট একটি ত্বকের কর্টিকষ্টেরয়েড যা প্রদাহবিরোধী ও চুলকানি নাশক এবং রক্তনালী সংকোচক গুনাগুণ সমৃদ্ধ করে থাকে । বেটামিথাসন ডাইপ্রপিওনেট লিপোকটিন নামক পেপটাইডকে প্রভাবিত করে। লিপোকটিন ও ফসফোলাইপেজ এ-২ নামক ইনজাইমকে বন্ধ করে রাখে যা লিউকোসাইড লাইসোসোমাল ঝিল্লীকে ভেঙ্গে অ্যারাকিডোনিক এসিড মুক্ত করতে সাহায্য করে। 


আরো পড়ুনঃ গ্যাসটোনা কিসের কাজ করে


এর ফলে অন্তর্জাত প্রদাহের জন্য দায়ী উপাদান সমূহ যেমন প্রষ্টাগ্ল্যানডিনস, কিনিনস, হিষ্টামিন এর পরবর্তী গঠন এবং ছড়িয়ে পড়া থেকে বিরতো রাখে।ওষুধের উপর শরীরের ক্রিয়া যেমন, ফার্মাকোকাইনেটিক্স: বেটামিথাসন ডাইপ্রপিওনেট স্বভাবতই অক্ষত চামড়া হতে শোষিত হয় থাকে। কর্টিকষ্টেরয়েডগুলো প্লাজমা প্রোটিনের সাথে নানা মাত্রায় আবদ্ধ হয় থেকে কাজ করে । কর্টিকষ্টেরয়েড প্রাথমিকভাবে যকৃতে বিপাক হয়। এগুলো কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে নিস্কাশিত হয় থাকে৷ 

বেটামেসন ক্রিম এর ব্যাবহার : 


আপনার তকের কোনো স্যামসার জন্য যদি কোনো মলম ব্যাবহার করার পরামর্শ ডাক্তার দেই তাহলে সেই মলম ব্যাবহার করার নিয়ম গুলো আবশ্যয় জানা দরকার। ঠিক তেমনি বেটামেসন ক্রিম এর ব্যাবহার করার কিছু নিদিষ্ট নিয়ম আছে যা এই ক্রিম টি ব্যাবহার করার জন্য জানা দরকার। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ত্বকের বিভিন্ন স্থানে সংক্রান্ত হতে প্রতিদিন তিন থেকে চারবার আপনি এই ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিদিন তিন থেকে চারবার এই ক্রিম ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং যাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে।


আরো পড়ুনঃ ডেলিভারি পেইন উঠানোর উপায়


তাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা চালানোর ক্ষেত্রে শুরুর দিকে এটা তিন থেকে চারবার এবং শেষের দিকে অন্তত সপ্তাহে একবার এই ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। কিভাবে আস্তে আস্তে এই ক্রিমের ব্যবহার কমিয়ে এনে সঠিক ফলাফল আপনি পাবেন তবে এই ক্ষেত্রে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কোনো চর্ম রোগের ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। আপনার সমস্যার সমাধান হয়েছে কিনা এবং সেই স্থানে আর ক্রিম ব্যবহার করা যাবে কিনা সেটা সরাসরি ডাক্তার দেখলে সবথেকে ভালো বলতে পাড়বেন এবং আপনাকে তার পরামর্শ অনুযায়ী ক্রিম টি ব্যবহার করতে হবে।

বেটামেসন ক্রিম এর অপকারিতা :

এই বেটামেস ক্রমি এর উপকারের চেয়ে অপকারিতা বেশি দেখা যায়। বেটামেসন ক্রিম ব্যাবহারের ফলে আল্প থেকে মাধ্যম পর্যায়ে জ্বালানি, ত্বকে খোচা খোচা ভাব, শুক্ব ত্বক, ত্বকে চুলকানি ইত্যাদি সহ আরো আনেক স্যামসা দেখা দেই। ত্বকে শির শির করা ত্বক ফেটে যাওয়া, উষ্ণ আনুভতি, ফলিকুলার র্যাশ, স্যামসা গুলোও দেখা দিতে পারে। তা বদে শারীরিক ভবে শরীরের ভিতরে কিছু স্যামসা দেখা দেই পালস ডোজিং এর ক্ষেএে মাধ্যম পর্যায়ের রক্ত চাপ ও প্যারেসথেমিয়া হতে পারে। আন্যান্ন স্থানীয় স্যামসার মধ্যে চুলকানি ত্বকের উপর লাল লাল ভাব ও বরন জাতীয় কিছু বের হতে পারে।

নির্ধারিত ডোজের বেশি নেওয়া যাবে না। বেশি ঔষধ নিলে আপনার উপসর্গের কোনো উন্নতি হবে না; বরং তারা থেকে বেশি বিষক্রিয়া বা গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আপনার যদি সন্দেহ হয় আপনি বা অন্য কেউ বিটামেসন-এন ক্রিম Betameson-N Cream বেশি মাত্রায় নিয়েছেন দয়া করে নিকটস্থ হাসপাতালে বা নার্সিং হোমের জরুরি বিভাগে যান এবং ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে যতো দুরুত্ব সম্ভব চিকিৎসা করাতে হবে 

শেষ কথা- বেটামেসন ক্রিম এর শারীরিক ক্ষতি

প্রতিটা জিনিসের কোনো না কোনো খারাপ দিক আছে তেমনি বেটামেসন ক্রিমেরো কিছু খারাপ দিক লক্ষ করা যায়। তার মধ্যে যে স্থানে বেটমেস ক্রিম ব্যাবহার করা হয় সেখানে পুড়ে যেতে পারে, জ্বালা পোড়া হতে পারে তা বাদে আরো আনেক স্যামসা হতে পারে। যা আপনাদের সাবধানে ব্যাবহার করতে হবে যাতে এ ধরনের স্যামসা গুলে কম হয়ে থাকে। 

আরো পড়ুনঃ ২১ সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া কেমন হয়

তাহলে্র সন্মানিত পাঠকবৃন্দ আশা করি আপনারা সবাই আরটিকেল টি পুরোপুরি পড়ছেন। আমরা বেটামেসন ক্রিম এর ব্যাবহার, উপাকার, অপকার ইত্যাদি দিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি। আশা করি এই আর্টিকেল টি পরে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। আর্টিকেল টি পড়ে যদি আপনারা উপকৃত হন তাহলে আমাদের লেখা সার্ধক হবে। 

Leave a Comment