কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা

প্রিয় পাঠক আপনাদের অনেকের জানা নেই কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত। তাই আপনার ও যদি এমন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমার আজকের এই আর্টিকেলটি মন দিয়ে পড়ুন। কেননা আমার আজকের এই আর্টিকেল এর মূল বিষয় হলো কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা কি সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। তো আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট না করে চলুন শুরু করা যাক কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে।

কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা

আমার এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনি আরো ভালো করে জানতে পারবেন কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে। 

পেজ সূচিপত্রঃ কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা

  • কানের সমস্যা ও চিকিৎসা
  • হঠাৎ কানে কম শোনা
  • কানের ভিতর শো শো শব্দ হওয়া
  • শেষ কথা-কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা
কানের সমস্যা ও চিকিৎসা
সমস্যাঃ
সাধারণত ডায়াবেটিস রোগীদের কানের ফারাংকুলোসিস এই সমস্যা হয়ে থাকে। এই সমস্যা হলে রোগীদের কানে প্রচন্ড ব্যথা ও এই সঙ্গে জ্বর ও থাকতে পারে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এই সমস্যা বেশি হয় নখ বা কটন এবং পুকুর বা নদীতে অপরিষ্কার পানিতে গোসল করলে এই সমস্যা হয়। অনেক সময় দেখা যায় যে কান চুলকায় হাতের কাছে যা পায় তাই দিয়ে।
তবে অনেক অংশে দেখা যায় গরম আবহাওয়া এর পিছনে বেশি দায়ী। এই অতিরিক্ত চুলকানোর জন্য কানে ইনফেকশন হতে পারে এবং দেখা যায় অনেকেই আছে রাস্তার পাশে অনভিজ্ঞ লোক দিয়ে কান পরিষ্কার করিয়ে নেন যার ফলে প্রায় কানে ইনফেকশন এবং কানের পর্দা ছিড়ে যাওয়ার মত এমন মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
প্রায়ই মহিলাদের কানে সমস্যা হতে দেখা যায়। তবে মহিলাদের এই রোগটি হয় গর্ভাবস্থায় বেশি। একে অটোস্কে রোসিস বলা হয়। যার ফলে কাদের ভেতরে অবস্থিত সূক্ষ্ম হাড় গুলো শক্ত হয়ে যায় এবং এর সাথে শ্রবণ ক্ষমতার ধীরে ধীরে কমতে থাকে। কানের ভেতরে ক্যান্সার খুব কমই দেখা যায় তবে যাদের হয় তাদের অধিকাংশ ধরে কান পাকা রোগ থাকে। কানের ভেতরে শো শো শব্দ হয় এবং এর সাথে মাথা ঘুরানো ও বমি বমি ভাব হয়।
চিকিৎসাঃ
বর্তমানে এই আধুনিক প্রযুক্তি যেমনঃ এন্ডোস্কোপ ও মাইক্রোস্কোপ ইত্যাদি ব্যবহার অপরিহার্য। বিশেষ করে কাদের জন্য মাইক্রোস্কোপের ব্যবহার শুরুর পর থেকে কানের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যবস্থা দিন দিন উন্নতি হতে শুরু করেছে। এই মাইক্রোস্কোপের কোন বিকল্প নেই কানের বিভিন্ন অসুখ নিরূপণে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই মাইক্রোস্কোপ করলে সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই এর থেকে অধিক তথ্য প্রদান করে থাকে। এই সভ্য ও উন্নত দেশে মাইক্রোস্কোপ এবং এন্ডোস্কোপ ছাড়া নাক কান গলা এর সমস্যা সমাধান করা যায় না।

এই মাইক্রোস্কোপ এর জন্য অনেক জটিল রোগ ও নিরাময় করা সম্ভব। যার ফলে এই কানের পর্দা লাগানো টিমপানোপ্লাস্টি মাইক্রো সার্জারি দিয়ে এমনকি অজ্ঞান না করেও চিকিৎসা করা সম্ভব।
হঠাৎ কানে কম শোনা
হঠাৎ করে কানে কম শোনা এমন ঘটনা বলতে গেলে অধিকাংশ মানুষের জীবনে ঘটেছে। এই সমস্যা ২ কানে কানে হতে পারে এবং কানের ভিতর শব্দ হওয়ার সমস্যা হতে পারে। আবার এমনও হতে পারে যে ঘুম থেকে ওঠার পর কানে আর না শোনার অভিজ্ঞতা। এই হঠাৎ করে কানে কম শোনার রিস্ক ফ্যাক্টর অটটোইমিউন ডিজিজ যেমনঃ লুপাস, কোগান সিনড্রম অথবা আয়রণের ঘাটতিরন ফলে আনোমিয়াকে চিহ্নিত করা হয়। 
হঠাৎ করে কানে কম শোনার কারণ গুলো নিচে দেওয়া হলঃ
  1. সাপের বিষের কারণে।
  2. স্নায়বিক সমস্যা হলে।
  3. টিউমার খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকলে।
  4. রক্ত প্রবাহের পরিবর্তন এবং মধ্যকর্ণে অক্সিজেন কোন পৌঁছালে।
  5.  অটোটক্কিক ঔষধ যেমনঃ জেন্টামিসিন,ফিউরোস্যামাইড ( ল্যাসিক) অথবা অ্যাসিপিরিনের মাত্রা বেশি হলে।
  6. ভাইরাস ইনফেকশনের কারণে।
  7. যদি কোন মানসিক বা দৈহিক আঘাত পেয়ে থাকে তা হল মাথায় আঘাত পেলে, বহিরাগত কোন বস্তুর জন্য কানের পর্দায় আঘাত পেলে, প্রচন্ড শব্দের কারণেও সমস্যা হতে পারে।
 হঠাৎ করে সমস্যা হলে জরুর ভিত্তিতে নিরাময় করা উচিত। যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা এবং কানের চিকিৎসা করা।

কানের ভেতরে শো শো শব্দ হওয়া
 বয়সের কারণে কাদের মধ্যে আঘাত বা সারর্কুলেটুরি ডিসঅর্ডারের লক্ষণ হিসেবে কানে টিনেটাস সমস্যা হতে পারে। এ রোগ পৃথিবীতে প্রতি ৫ জনের মধ্যে একজনের হয়ে থাকে।
যদি কোন ব্যক্তির কানে শো শো শব্দ অনবরত শুনতে থাকেন তাহলে তাকে টিনেটাস বলা হয়। এই সমস্যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পুরুষদের অধিক আক্রান্ত হতে দেখা যায়।
টিনেটাস কানের মধ্যে হলেও এর আসল উৎপত্তিস্থল হলো মস্তিষ্ক। আর মস্তিষ্কের যে অংশের মধ্য দিয়ে শব্দ প্রক্রিয়াজাত করা হয় সে অংশের নাম হল অডুটরি করটেস্ক। তবে যদি এই নার্ভের সমস্যা হয় তাহলে টিনটাস হয়ে থাকে। আবার কানের সমস্যার কারণে ও এই সমস্যা হতে পারে। আমাদের কানের মধ্যে যে লোক গুলো থাকে তা শব্দতরঙ্গের সঙ্গে নাড়াচাড়া করে। যদি কানের এই লোম লোম গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা সঠিকভাবে কাজ না করে তাহলে আমাদের মস্তিষ্ক অনিয়মিত এবং ভুল ইলেকট্রিক্যাল ইমপালস পোঁছায়, যার ফলে এই টিনেটাস আক্রান্ত রোগী কানে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পায়।
শেষ কথা-কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা
প্রিয় পাঠক আপনারা এতক্ষণ পড়ছিলেন কানে শো শো শব্দের হোমিও চিকিৎসা সেই সম্পর্কে বিস্তারিত। আশা করি আমার আজকের এই পোষ্টটি পড়ে আপনার উপকারে আসবে। আমার এই ওয়েব সাইট এ আপনাদের জন্য প্রতিনিয়ত নতুন নতুন তথ্য নিয়ে বাংলা আর্টিকেল লিখে আসছি।
আমার এই পোষ্টটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধুর কাছে শেয়ার করতে পারেন। আর যদি নতুন কোনো বিষয়ে তথ্য জানতে চান তাহলে আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। এতক্ষণ আমার এই পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবান।

Leave a Comment