কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে জেনে নিন

সন্মানিত পাঠকবৃন্দ আশা করি আপনারা ভালো আছেন ও সুস্থ আছেন। আজকে আমি সম্পন্ন নতুন একটা বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। আজকে আমাদের আলোচনা বিষয় হলো কানাডার ভিসা ক্যাটাগরি। আমাদের মধ্যে আনেকেই আছেন যে তাদের স্বপ্ন কানাডায় যাওয়া সেটা হোক ঘুরতে বা পড়াশোনার জন্য বা কোনো চাকরির জন্য। কিন্তু আমাদের যদি কানাডার ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে কোনো ধারনা না থাকে আমরা কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করতে পাড়বো না।

কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে জেনে নিন

আমাদের দেশ সহ বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে কানাডায় যেতে বিভিন্ন ক্যাটাগরি থাকে তা হলো চাকরির ভিসা, শ্রমিক ভিসা, টুরিস্ট ভিসা, পড়াশোনা করার জন্য ভিসা ইত্যাদি বিষয় এর উপর কানডার গভারমেন্ট ভিসা প্রদান করে থাকে আর এই ভিসা গুলোকে একত্রে ভিসা ক্যাটাগরি বলন হয়ে থাকে। তাহলে পাঠা বৃদ্ধ কানাডার ভিসা সম্পর্কে সাধারণ ধারনা পেলেন চলুন এবার কানাডার ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল মাধ্যমে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

সূচিপত্র : কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি

  • কানাডার টুরিস্ট ভিসা
  • কানাডার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
  • কানাডার কৃষি ভিসা
  • কানাডার শিক্ষা ভিসা
  • শেষ কথা – কানাডার ভিসা পাওয়ার উপায়

কানাডার টুরিস্ট ভিসা

আমাদের মধ্যে এমন আনেকে আছে যারা ভমন করতে ভালোবাসে বিশেষ করে যারা বাইরের দেশে ভমন করতে ভালোবাসে তারা যে কোনো দেশে যাওয়ার জন্য টুরিস্ট ভিসা জন্য আবেদন করে থাকেন। কানাডায় ঘুরতে যাওয়ার আগে আপনাদের একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো যে কানাডা বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে একটি কানাডায় যেমন আছে প্রাকৃতিক সম্পদ তেমন আছে তার শহরের সৌন্দর্য। আমাদের বাংলাদেশ সহ বিশ্বের আনেক দেশ থেকে প্রায় প্রতি বছর আনেক পর্যটক কানাডা বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলো ও কানাডা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ভমন করে থাকেন।
কানাডায় টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভমন করার জন্য আমাদের বাংলাদেশর টাকায় ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা লাগে। আমাদের দেশে যারা উচ্চ বিলাশি জিবন যাপন করে ও তাদের মধ্যে যারা বিভিন্ন দেশে ভ্রমন করতে ভালোবাসেন তারাই কেবল এই ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন। কানাডায় কৃত্তিম বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিক দিয়ে সেরা সেই জন্য তো আনেক মানুষ এতো টাকা খরচ করে কানাডায় বেড়াতে যায়। আপনি যদি কানাডায় বেড়ানোর জন্য যেতে চান তাহলে আপনাকে কানাডার টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

কানাডার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বলতে আমরা বুঝি কানাডায় কোনো কাজের জন্য যে ভিসার আবেদন করা হয় তা হলো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। আমাদের বাংলাদেশ থেকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ কানাডায় কাজ করার জন্য যাচ্ছে। কিছু দিন আগে করোনার কারনে কানাডার ভিসা পুরোপুরি বন্ধ ছিলো কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে করোনার প্রভাব কমে যাওয়ায় পুরোদমে আবার কানাডার ভিসার কার্যক্রম চালু হয়েছে। এখন আপনি চাইলেই খুব সহজেই কানাডার ভিসার জন্য আবরদন করতে পাড়বেন।
আপনি যদি কামডার ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে নিশ্চিয় জানেন কানাডার সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিসা হচ্ছে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা।আমাদের দেশে থেকে গিয়ে আনেক মানুষ কানাডার নাগরিক হয়েছেন ও সেখানে স্হায়ী ভাবে বসবাস করছেন। কানাডায় স্হায়ী ভাবে বসবাস করার মূল সত্যি হলো আপনার একটা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা থাকতে হবে। আর আপনার যদি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বাদে কানাডা যাওয়া দরকার হয় আপনি কানাডায় বসবাস কৃত একজনের রেফারেন্স ছাড়া কোনো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাবেন না ও যেতে পাড়বেন না। তাই আপনাকে কানাডা জন্য বল নিয়োগ দেই এমন আফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

কানাডার কৃষি ভিসা

কানাডা উন্নয়নশীল দেশ বলে সেখানে কৃষি কাজ করার জন্য তেমন কোনো কৃষি শ্রমিক পাওয়া যায় না। সেখানে যারা বসবাস করেন তারা সবাই অফিসিয়াল কাজের সাথে যুক্ত থাকে। কানাডার উন্নয়নশীল দেশ হলেও এই দেশে বিশাল অংশ এখনো কৃষি কাজ হয়ে থাকে তাই কানাডার সরকার প্রতি বছর বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে থেকে কৃষি শ্রমিক নিয়ে থাকেন। তেমনি আমাদের দেশ থেকেও প্রতি বছর কৃষি ভিসার উপর আনেক শ্রমিক কানাডায় কৃষক শ্রমিক হিসেবে গিয়ে থাকেনে এতে যেমন কানাডার কৃষি সমৃদ্ধ হচ্ছে।
তেমন তারা যে আর্থ বাংলাদেশ প্ররন করছে তা বাংলাদেশ অর্থনীতিতির চাকা কে স্বচল রাখছে। সেই জন্য আপনি যদি কানাডায় কৃষি শ্রমিক হিসেবে যেতে চান তাহলে আপনাকে কৃষি ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে আর আপনাকে ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী হতে হবে। যারা ইংরেজি জানে তাদের জন্য কানাড যাওয়া টা আনেক সহজ বর্তমান বিশ্বের ইংরেজিতে ভাষার আনেক সন্মান।

কানাডার শিক্ষা/ স্টুডেন্ট ভিসা

কানাডার আরেক টি গুরুত্বপূর্ণ ভিসা হচ্ছে শিক্ষা ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা। আমাদের দেশ থেকে প্রতি বছর উচ্চ শিক্ষার জন্য আনেক তরুন, তরুণি কানাডয় উচ্চ শিক্ষার জন্য যাচ্ছেন। আপনি যদি কানাডায় উচ্চ শিক্ষা জন্য যেতে চান তাহলে আপনাকে নিশ্চয়ই স্টুডেন্ট বা শিক্ষা ভিসাতে আবেদন করতে হবে। কিন্তু কানাডায় আপনার পরিচিতো একজন নাগরিক থাকতে হবে তাহলে আপনি সহজেই যেতে পাড়বেন।
তা বাদে কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আরো কয়েক টি শর্ত আছে সে গুলো হলো আপনাকে ইংরেজি ভাষা শিখতে হবে ও ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী হতে হবে। আর কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে আপনাকে সর্বনিম্ন এইচএসসি পাস হতে হবে। তাহলে আপনি যদি স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কানাডায় যেতে চান তাহলে আপনাকে উপরুক্ত বিষয় গুলো জানতে ও শিখতে হবে।

শেষ কথা – কানাডার ভিসা পাওয়ার উপায়

আপনি যদি কানাডায় যেতে চান তাহলে আপনাকে কানাডার ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে জানতে হবে। কানাডায় কে কোনো কাজে যাওয়ার জন্য আপনাকে কানাডার ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে ও এর ক্যাটাগরি গুলো জানতে হবে। তারপর আপনি কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি আনুযায় নিজের যোগ্যতা মিলিয়ে আবেদন করতে পাড়বেন। কানাডার যাওয়া ১ম শর্ত হলো ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে জানা ২য় শর্ত হলো আপনাকে সরকারি ভাবে কানাডায় যেতে হবে। আপনি কানাডায় গিয়ে গিয়ে কি করতে চান সেটা সরকার কে জানাতে হবে। আপনি যদি কানাডায় কোনো কাজের বিজ্ঞপ্তি দেখে থাকেন সেটাও উল্লেখ করতে হবে যাতে আপনি দেশে থেকে সে কাজের বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে সে কাজের উপযোগী করে তৈরি করতে পাড়বেন।
তা চাড়া একটা কথা আগেও বলছি এখনো বলছ আপনাকে ইংরেজি ভালো পারদর্শী হতে হবে। কানাডার ভিসা আবেদন করার পর ইংরেজি উপর একটা পরীক্ষা হয় সেটাতে আপনার IELTS স্কোর ৪.০০ পয়েন্ট হতে হবে তাহলে আপনি আতি সহজে কানাডার ভিসা পেয়ে যাবেন। তাহলে সন্মানিত পাঠকবৃন্দ আশা করি আপনাদের এই আর্টিকেল টি পরে ভালো লাগছে ও কানাডার ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে আনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন। এই আর্টিকেল টি পরে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। আর্টিকেল টি পড়ে যদি আপনারা উপকৃত হন তাহলে আমাদের লেখা সার্ধক হবে।

Leave a Comment