রোমানিয়া ভিসা আপডেট ২০২৪

 আমাদের বাংলা দেশ থেকে বিশ্বের আনেক দেশে মানুষ পাড়ি জমাচ্ছে কেও যাচ্ছে কাজের উদ্দেশ্য কেও যাচ্ছে তো যাচ্ছে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য রোমানিয়া তে যান। আবার আমাদের মধ্যে এমন অনেক ধরনের মানুষ আছে বাইরের দেশে যারা ভ্রমন করতে ভালোবাসেন তারা মূলত ভ্রমন করাতে রোমানিয়া তে যান।

রোমানিয়া ভিসা আপডেট ২০২৪

আগামী বছর ২০২৩ সাল থেকে প্রায় ১৫ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়েছেন। এখন ২০২৪ সাথে রোমানিয়ায় বাংলাদেশর থেকে যে সকল কম্পানি কর্মি নেবে তাদের চাহিদা পএ বাংলাদেশ [প্রেরন করা হয়েছে কোন কোন কাজের জন্য রোমানিয়ার ভিসা ছাড়া হবে ২০২৪ সালে সে বিষয় নিয়ে আমরা আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাহলে চলুন আপনাদের মূলবান সময় নষ্ট না করে আজকের আর্টিকেল টি শুরু করা যাক। 

সূচিপত্র:রোমানিয়া ভিসা আপডেট ২০২৪

  • রোমানিয়া যেতে কতো বছর বয়স লাগে
  • রোমানিয়া যেতে কতো টাকা ব্যয় হয়
  • রোমানিয়া কি কি কাজ পাওয়া যায়
  • রোমানিয়ার বেতন কাঠামো
  • শেষ কথা – রোমানিয়ার ভিসা পেতে কি কি করতে হয়

রোমানিয়া যেতে কতো বছর বয়স লাগে

আপনি যেহেতু রোমানিয়া ভিসা সম্পর্কে জানতে চান রোমানিয়া যেতে চান তাহলে ১মে আপনাকে জানতে হবে যে কতো বছর পূর্ণ হলে আপনি রোমানিয়ার ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে কোনো কর্ম করার জন্য রোমানিয়ায় যেতে চান তাহলে আপনাকে নিশ্চিত ১৮ বছর বয়স হতে হবে। আর ১৮ বছর হলেই আপনি বাংলাদেশ নাগরিক হতে পাড়বেন। আর আপনার বয়স যদি ১৮ বছর এর কম হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে কোনো ভাবে রোমানিয়ার কোনো কাজের জন্য কোনো প্রকার ভিসা প্রদান করা হবে না৷

আবার আনেকা অংশ দেখা যায় আপনি যদি টুরিস্ট ভিসা নিয়ে বেড়াতে যেতে চান তাহলে আপনার বয়স নিয়ে তেমন কোনো বাধা প্রদান করা হয় না। আর আপনি যদি আপনার পুরো পরিবার সহ টুরিস্ট ভিসা তে রোমানিয়া যেতে চান তাহলে আপনার ১৮ বছর না হলেও আপনি ভিসা পেতে পারেন। আমাদের মধ্য এমন আনেক জন আছেন যারা উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য রোমানিয়াতে পাড়ি জমাতে চান তাদের জন্য আবার যে ১৮ বছর বয়স হতে হবে এমন কোনো ধারা বাধা নিয়ম নাই। ১৮ বছর কম হলেও তারা রোমানিয়া ভিসার জন্য আবেদন করতে পাড়বেন। 

রোমানিয়া যেতে কতো টাকা ব্যয় হয়

আমাদের বাংলা দেশ থেকে আনেকে রোমানিয়া প্রবাসি হিসেবে যেতে চান কিন্তু আমরা দের মধ্যে আনেকেই জানি না যে রোমানিয়া যেতে কতো টাকা খরচ হয়। রোমানিয়া একটি উন্নত দেশ সেখান কার টাকার মান বাংলাদেশ টাকার মানের চেয়ে আনেক বেশি। তাই আপনি যদি বৈধ ভাবে বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রোমানিয়া যেতে চান তাহলে কম খরচে যেতে পারেন। আর যদি কোনো দালার বা কোনো প্রতারকের মাধ্যমে যেতে চান তাহলে আপনার টাকা মার যেতে পারে ও আপনি অবৈধ ভাবে রোমানিয়া তে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে ও দেশে গিয়ে সাজা হতে পারে। 

তাই সঠিক মানুষ ও মাধ্যমে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। বাংলাদেশ সরকারের জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যেতে চান তাহলে আপার মোট বাংলাদেশি টাকায় ৫ লক্ষ থেকে সর্বচ্চ ৬ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। আর আপনি যদি যে কোম্পানিতে কাজের জন্য যাচ্ছেন সে কোম্পানি যদি আপনার যাবতীয় খরচ বহন করে তখন বেশি টাকা লাগবে না। বৈধ ভাবে রোমানিয়া যেতে প্রায়৫ থেকে ৫ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়।

তবে আপনি যদি কোনো দালাল এর মাধ্যমে যান আপনার ৭ লক্ষ টাকার মতো খরচ হতে পারে আর আমি আগেই বলছি টাকা মার যাওয়া সহ বিভিন্ন স্যামসায় পড়তে পারেন। রোমানিয়া যাওয়ার খরচ সাধারণ ভিসা ক্যাটাগরি উপর নির্ভর করে থাকে। তাহলে সন্মানিত পাঠকবৃন্দ আপনারা যদি রোমানিয়া যেতে চান তাহলে সরাসরি ভাবে কোনো কোম্পানির মাধ্যম যাবেন খরচ কম হবে ও বৈধ ভাবে যেতে পাড়বেন।

রোমানিয়া কি কি কাজ পাওয়া যায়

আমাদের মধ্যে আনেক মানুষ আছে চাকরি করার জন্য রোমানিয়া তে যেতে চান কিন্তু তারা জানে যে রোমানিয়া কোন কোন কাজের জন্য বিদেশি কর্মির চাহিদা বেশি থাকে। আমি আপনাদের সে বিষয় নিয়ে আজকে জানাবো রোমানিয়া একটি উন্নত রাষ্ট্র সেখানে আনেক সেক্টরে বিদেশি কর্মির চাহিদা আনেক বেশি তবে কিছু কাজ বেতন ও কর্মির দক্ষতা উপর হয়ে থাকে তার মধ্যে যে সব কাজের চাহিদা বেশি সে সব কাজের তালিকা নিচে দেওযা হলো : 

১.সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার 

২.সিভিল ইঞ্জিনিয়ার 

৩.কনস্ট্রাকশন

৪. কম্পিউটার অপারেট 

৫.গার্মেন্টস অপারেটর 

৬. ওয়েটার 

৭.হোটেল বয়

৮. কৃষি কাজ 

 উপরুক্ত কাজ রোমানিয়া তে বিদেশে কর্মি দের চাহিদা বেশি থাকে। আপনি যদি রোমানিয়া তে প্রবাসি কর্মি হিসেবে যেতে চান তাহলে আপনাকে এ সব কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করতে হবে তাহলে আপনি সহজেই এ সব কাজের উপর রোমানিয়া ভিসা পেযে যাবেন। 

রোমানিয়ার বেতন কাঠামো 

সাধারণ আমাদের বাংলাদেশ থেকে অধিকাংশ মানুষ রোমানিয়া তে পারি জমায় কাজ বা কোনো ভালো চাকরির জন্য কিন্তু রোমানিয়া তে যাওয়ার আগে আমাদের সবার আগে যে বিষয় টা দেখতে হবে তা হলো সেখান কার বেতন কাঠামো। আমরা সবাই জানা যে বেতন ক্যাটাগরি হয় কাজের ধরন কাজের অভিজ্ঞতা কাজের স্থান ইত্যাদি উপর ভিত্তি করে। তা বাদে আপনি যদি আপনার কাজরে সময় বাদেও অতিরিক্ত সময় কাজ করেন সে ক্ষেএে আপনার বেতন আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। 

সাধারন্ত রোমানিয়া তে প্রতি মাসে একজন কর্মির বেতন ধরা হয়ে থাতে ৪০০ ডলার থেকে ১০০০ ডলার প্রর্যন্ত যা প্রায় বাংলাদেশি টাকায় ৪০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা হয়ে থাকে তবে আমি আগেই বলছি আমার বেতনের হিসেব আনুমানিক আপনাদের কাজের ধরন ও আভিগতা উপর ভিওি করে বেতান আরো বেশি বা কম হতে পারে। 

শেষ কথা – রোমানিয়ার ভিসা পেতে কি কি করতে হয়

পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেকটি দেশে চুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন সেক্টরে শ্রমিক নিয়ে থাকে। তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শ্রকিম এর কাছে থেকে বেশি টাকা নিয়ে থাকে না। নিয়মিত অভিবাসন রোধে এটি হতে পারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কৌশল। রোমানিয়া তে ভিসা পেতে হলে ১মে কোনো একটি কোম্পানি বা এজেন্সি থেকে কাজের আনুমতি বা পারমিট নিতে হবে। তারপর তাকে রোমানিয়াতে ভিসা আবেদনের জন্য নিকটবর্তী রোমানিয়ার দূতাবাস সশরীলে গিয়ে বায়োমেট্রিকের ছাপ দিয়ে আবেদন করতে হবে। যদি আপনার আবেদন তার তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তাহলে আপনাকে সশরীরে গিয়ে তাদের দূতাবাস থেকে ভিসা ও পাসপোর্ট গ্রহণ করতে হইবে।

 তবে আপনি বাদে ২য় কোন ব্যক্তি এই ভিসা পাসপোর্ট করতে পারবে না। সুতরাং আপনারা ভুয়া ভিসা বা পাসপোর্ট দিয়ে রোমানিয়াতে যাওয়া চেষ্টা করবেন না তাহলে বিপদে পড়তে পারেন। তাহলে সন্মানিত পাঠকবৃন্দ আশা করি আপনাদের এই আর্টিকেল টি পরে ভালো লাগছে ও রোমানিয়া ভিসা সম্পর্কে আনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন। এই আর্টিকেল টি পরে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। আর্টিকেল টি পড়ে যদি আপনারা উপকৃত হন তাহলে আমাদের লেখা সার্ধক হবে।

Leave a Comment